যে কথা বলা দরকার

Share This Post

বর্তমান সভ্যতা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সভ্যতা। বিজ্ঞানের উৎকর্ষ সাধনে তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে উন্নতি সাধিত হয়ে সমগ্র বিশ্বটা ছোট এ গ্রামে পরিণত হয়েছে। বিশ্বায়নের এ যুগে চ্যালেঞ্জের প্রবাহে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে বর্তমান সময়ে স্বনির্ভর কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা, কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করে নিজেকে দক্ষ মানব সম্পদে পরিণত তথা সময়ের অনিবার্য দাবী। অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রযুক্তি বিকাশে মেধা-মনন ও যোগ্যতার উন্মেষ সাধনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আসন করে নেয়া একান্ত জরুরী। অনিবার্য বাস্তবতাকে সামনে রেখে “মুন্নু জাহান ফাউন্ডেশনের পরিচালনায় মহানগরী ঢাকার অদুরে চিটাগাং। মহাসড়কের গা ঘেঁষে সাইনবোর্ড নামক স্থানে, হাজী রফিক সড়ক, সাহেবপাড়া, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ-এ পার্ক পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট অগ্রযাত্রা ও সফলতার ১২৩ম বছর অতিক্রম করেছে। নিজস্ব পরিমণ্ডলে আধুনিক মাল্টিমিডিয়া ল্যাব সম্বলিত বিশাল ক্যাম্পাস। দেশের অন্যতম সুবৃহৎ নিজস্ব ক্যাম্পাসে ৪ বৎসর মেয়াদী ডিপ্লোমা-ইন- ইঞ্জিনিয়ারিং সিভিল, ইলেকট্রিক্যাল, কম্পিউটার, মেরিন, টেক্সটাইল, মেকানিক্যাল ও গার্মেন্টস ডিজাইন এন্ড প্যাটার্ন মেকিং কোর্স পরিচালিত হচ্ছে। দক্ষ জনশক্তি গড়ার লতে ঢাকার পূর্বাঞ্চলে নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, নরসিংদী, বি-বাড়ীয়া ও কুমিল্লায় পশ্চিমাঞ্চলে সর্ববৃহৎ নিজস্ব ক্যাম্পাসে পার্ক পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট পরিচালিত হচ্ছে।

পার্ক পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে কেন ভর্তি হবেন?

শিসেবীদের দক্ষ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হিসবে গড়ে তোলাই আমাদের এক ও অভিন্ন লক্ষ।

  • নিজস্ব পরিমন্ডলে বিশাল ক্যাম্পাস, যা রাজনীতি ও ধুমপানমুক্ত।
  • দক্ষ ও সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী প্রতিশ্রুতিশীল শিক্ষকমন্ডলী।
  • দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে উত্তম যোগাযোগ ব্যবস্থা।
  • দূর-দূরান্ত্রের শিক্ষার্থীদের জনা ছেলে ও মেয়েদেরা পৃথক আবাসিক ব্যবস্থ।
  • ব্রডব্যান্ড লাইন সহলিত কম্পিউটার ল্যাব ও নেটওয়ার্কিং পরিবেশ।
  • গরীব, মেধাবী ও উপজাতি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিশেষ সুবিধা।
  • আধুনিক ইকুইপমেন্ট সজ্জিত পরিপূর্ণ ল্যাব। যুগোপযোগী ও হাতে কলমে শিক্ষা প্রদানে আমরাই শীর্ষে।
  • দূর্বল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিশেষ তত্ত্বাবধান।
  • সর্বোচ্চ প্রাকটিক্যাল করানোর নিশ্চয়তা।
  • ছাত্রীদের জন্য সেমিস্টার ফিতে ৫০% স্কলারশীপ।
  • সিসি ক্যামেরা নিয়ন্তীত ক্যাম্পাস।
  • মাল্টিমিডিয়া প্রজেন্টর সহলিত ক্লাসরুম।

You might have a dream we cherish for that

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কেন পড়বেন?

* ডিপ্লোমা উত্তীণের পর মর্যাদাপূর্ণ চাকরী ও বিদেশে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ।

* ডিপ্লোমা একাডেমিক সেশনজট মুক্ত কোর্স এবং নিশ্চিন্ত চাকরি।

* ডিপ্লোমা পাশ করার পর সরকারী-বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে অল্প সময়ে B.Sc করার অপূর্ব সুযোগ।

* সরাসরি বি.এসসি ডিগ্রীধারীদের চেয়ে অপেক্ষাকৃত অধিক ব্যবহারিক জ্ঞানের অধিকারী ও বাস্তবক্ষেত্রে  দক্ষতার পরিচয় দিতে সক্ষম।

*সার্বাপরি দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে স্বল্প সময়ে অধিক যোগ্যতা ও সফলতা অর্জন।

 

বর্তমান  সময়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের সম্ভাবনা

ইলেকট্রিক্যাল

ইলেকট্রিক্যাল মহান আল্লাহ এক বিস্ময়কর শক্তি। যা মানুষের জীবনে সকল ক্ষেত্রে সমভাবে প্রয়োজন। দেশ-জাতির উন্নয়ন, প্রবৃদ্ধি ও শিল্প কারখানা পরিচালনার জন্য ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যে দেশে বিদ্যুতের উৎপাদন যত বেশী সেদেশে শিল্প কারখানারও সেভাবে উন্নয়ন সাধিত হয়। বাংলাদেশে এ বিষয়ে অধ্যয়ন করে চাকুরির যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে বি ইলেকট্রিক্যাল বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পর কেউ বেকার থাকে না। এ বিষয়ে বিশাল কর্মক্ষেত্র ও জগত রয়েছে। দেশে-বিদেশে যার চাহিদা যথেষ্ট।

মেকানিক্যাল

যান্ত্রিক ও প্রযুক্তির যুগে প্রতিটি যন্ত্রের মেকানিক্যাল ডিজাইন ও তার আর্কিটেকচারাল স্ট্রাকচার সহ প্রতিটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র যন্ত্র বা একাধিক যান্ত্রিক পার্টস সমন্বয়ে তৈরী হয় এক একটি বৃহৎ মেকানিক্যাল জগত। বর্তমানে বিশ্বের বৃহৎ উৎপাদন থেকে শুরু করে সকল ক্ষেত্রে যান্ত্রিক সহায়তার মাধ্যমে উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। এই লক্ষ্যে শিক্ষা ব্যবস্থার চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করছে মেকানিক্যাল টেকনোলজি। এ জন্যই বর্তমান বিশ্বে এর চাহিদা অপরিসীম। মেকানিক্যাল জগতে প্রয়োজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ জন সম্পদ যা, নিজেকে একজন দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার হতে সহায়তা করবে। দেশে- বিদেশে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের কর্ম সংস্থানের চাহিদা ব্যাপক।

কম্পিউটার

জীবন চলার পথে সর্বোত্তম সঙ্গী ও সহজ মাধ্যম হলো কম্পিউটার। কম্পিউটার ছাড়া মানুষের কর্মকৌশল যেন অপূর্ণাঙ্গ। তথ্য-প্রযুক্তি উন্নয়নে কম্পিউটার এক বিস্ময়কর আস্থাশীল শক্তির নাম। কম্পিউটারের মাধ্যমে অতি অল্প সময়ে অসাধ্যকে সাধন করা সম্ভব। কম্পিউটার একদিকে যেমন বিশ্বকে হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে, তেমনি ভাবে খুলে দিয়েছে বিজ্ঞান ও উন্নয়নের দ্বার। বর্তমান সময়ে কম্পিউটার ছাড়া সব কাজই যেন অসম্ভব। দেশে সরকারী ও বেসরকারী ভাবে চাকুরীর যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। কম্পিউটার টেকনোলজী অধ্যয়ন করে জীবনে সফলতা আনা সম্ভব।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং একটি বিস্ময়কর টেকনোলজি। সময়ের বিবর্তনে এর চাহিদা অনেক বেশী। দেশে-বিদেশে গগণচুম্বি ইমারত, চমৎকার রাস্তারঘাট, মনভোলানো ডুপ্লেক্স বাড়ী এসবের পিছনে দক্ষ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদেরই অবদান। বিশেষ করে কোন দেশের ইতিহাস ঐতিহ্যকে বিশ্ব পরিমন্ডলে তুলে ধরার মোক্ষম মাধ্যম হলো স্থাপত্য ও যোগযোগ ব্যবস্থা। বর্তমানে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড ৪ বছর মেয়াদী যে কারিকুলাম সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য পাঠ্য করছে তার গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক বেশী। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজিতে লেখাপড়া করে কোন ইঞ্জিনিয়ার বেকার আছে এমন ইতিহাস অন্তত বাংলাদেশে কম।

টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস ডিজাইন এন্ড প্যাটার্ন মেকিং

টেক্সটাইল বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ টেকনোলজি। সভ্য মানব জাতির জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত বস্ত্র অপরিহার্য। মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে বস্ত্র দ্বিতীয় আর এই বস্ত্র তৈরীতে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশ চাকরির বাজারে যে কয়টি পেশার অসম্ভব চাহিদা রয়েছে তার মধ্যে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার অন্যতম। ৪ বছর মেয়াদী কোর্স সম্পন্ন করার পর সরকারি ও বেসরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। গার্মেন্টস ডিজাইন এন্ড প্যাটার্ন মেকিং টেকনোলজি বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে গার্মেন্টস শিল্পের ভূমিকা সবচেয়ে বেশী। ৪ বছর মেয়াদী এ কোর্স সম্পূর্ণ করার পর সরকারি- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিজ এ রয়েছে চাকরির সুযোগ।

মেরিন

বিশ্ব জুড়ে মেরিন টেকনোলজির চাহিদা ও গুরুত্ব সীমাহীন। পৃথিবীর দুই তৃতীয়াংশ জলরাশির মধ্যে সারা পৃথিবীর প্রায় সকল দেশের-ই নৌ-সীমাকে ঘিরে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের মেরিন স্থাপনা ও নৌ- জাহাজ, যা কিনা প্রতিটি দেশের বৈচিত্র ও বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে তাদের নিজস্ব নৌ-বহর দিয়ে বর্তমান বিশ্বে মেরিন টেকনোলজির চাহিদা শীর্ষে পৌঁছে যাচ্ছে। এ বিষয়ে অধ্যয়ন করলে যথেষ্ট চাকুরীর সুযোগ রয়েছে।

টেকনোলজি ভর্তি ফি সেমিস্টার

(এককালিন) ফি — মাসিক  বেতন — সেমিষ্টার ফি — ১ বছর — ৪ বছর

ইলেকট্রিক্যাল -৫০০০/- ৬০০০/- ১০০০/- ১২,০০০/- ২৪,০০০/- ৯৬,০০০/-

কম্পিউটার -৫০০০/- ৬০০০/- ১০০০/- ১২,০০০/- ২৪,০০০/- ৯৬,০০০/-

সিভিল- ৫০০০/- ৬০০০/- ১০০০/- ১২,০০০/- ২৪,০০০/- ৯৬,০০০/-

মেরিন- ৫০০০/- ৬০০০/- ১,৫০০/- ১৫,০০০/- ৩০,০০০/- ১২০,০০০/-

টেক্সটাইল -৫০০০/- ৬০০০/- ১,৫০০/- ১৫,০০০/- ৩০,০০০/- ১২০,০০০/-

মেকানিক্যাল -৫০০০/- ৬০০০/- ১,৫০০/- ১৫,০০০/- ৩০,০০০/- ১২০,০০০/-

বি:দ্র: রেজিঃ ফি, বোর্ড ফি, পরীক্ষা ফি ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং ফি ব্যতীত।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ.আ.ম.স. আরেফিন সিদ্দিক, মুন্নুজাহান ফাউন্ডেশন ও পার্ক পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব মুন্নুজাহান এবং পার্ক পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মোঃ আবুল কালাম আজাদ।

৩/৬ মাস মেয়াদী বেসিক কোর্স

* ইলেকট্রিক্যাল হাউজ  ‍Iq¨vরিং

* আমিনশিপ (ভূমি জরিপ)

* কম্পিউটার  অফিস  অ্যাপ্লিকেশন

* অটোক্যাড 2D এবং 3D

*হার্ডওয়্যার  এন্ড নেটওয়ার্কিং

* আইটি সাপোর্ট টেকনিশিয়ান

*গ্রাফিক্স ডিজাইন এন্ড মাল্টিমিডিয়া

*রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশন

৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের সম্ভাব্য চাকুরীর ক্ষেত্র সমূহ:

কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, পানি উন্নয়ন বোর্ড, টি এন্ড টি, ভোকেশনাল স্কুল, কলেজ, টেলিভিশন, বেতার, আণবিক শক্তি কমিশন, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, বিমান বাংলাদেশ, বিআরটিএ, পল্লী বিদ্যুৎ, রেলওয়ে, আধুনিক সরকারী ও বেসরকারী হাসপাতালসহ বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর সম্ভাবনা ও সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়াও বেসরকারীভাবে পরিচালিত বিভিন্ন মিল কারখানায় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে।